বহুজাতিকের কাছ থেকে কত টাকা খেলে এরকম রিপোর্ট করা যায়? গত ১৬ জুন ২০১১, প্রথম আলোতে কনোকো ফিলিপস এর সাথে যে চুক্তি হয়েছে সে চুক্তির ব্যাপারে অরুণ কর্মকার লিখেছে: “এবার যে পিএসসি হচ্ছে তাতে বাংলাদেশ প্রথম থেকেই অর্ধেক গ্যাস পাবে। অনুসন্ধান খরচ উঠে এলে বাংলাদেশের প্রাপ্য অংশ বাড়তে থাকবে।”
এই খানে ভয়ংকর একটা ফাকি দেয়া হয়েছে, উত্তোলিত গ্যাসের ৫৫% কস্ট রিকভারি গ্যাস হিসেবে প্রথমেই সেটা বহুজাতিক কোনোকোফিলিপস এর মালিকানায় যাবে। তারপর বাকি ৪৫% গ্যাসের অর্ধেক বাংলাদেশ পেতে পারে। অর্থাত অরুণ কর্মকার যেটাকে সমস্ত উত্তোলিত গ্যাসের অর্ধেক বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছে সেটা আসলে প্রফিট গ্যাসের অর্ধেক! কত বড় প্রতারণা দেখেন- ৫৫% গ্যাস কস্ট রিকভারি গ্যাস হিসেবে বিদেশী কোম্পানির মালিকানায় যাওয়ার পর বাকি ৪৫% এর অর্ধেক যদি বাংলাদেশ পায় তাহলে প্রকৃত অর্থে মোট গ্যাসের ২২.৫% পাবে বাংলাদেশ কিন্তু দেখেন যে মডেল পিএসসি ২০০৮ অনুসারে এই চুক্তি হচ্ছে সেই চুক্তির আর্টিক্যাল ১৫.৫.৪ এ পরিস্কার লেখা আছে বাংলাদেশ কখনই উত্তোলিত বাজারজাত যোগ্য গ্যাসের ২০% এর বেশি দাবি করতে পারবে না!!!
Continue reading







