২৬ আগস্ট জীবন ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার লড়াইয়ের অহংকারী দিন। নিপীড়িত জনতার গণকর্তৃত্বের উজ্জ্বলতায় রাঙ্গা এই দিন; সারা দেশের মানুষের সংগ্রামী প্রেরণার এক জীবন্ত উৎস। এ সংগ্রাম সাম্রাজ্যবাদ ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত প্রতিরোধের অনন্য ইতিহাস । এই ইতিহাসের স্রষ্টা ফুলবাড়ির জনগণ; এদেশের জনগণ। এই মহান সংগ্রামের বীর শহীদ এবং মহান জনতাকে জানাই লাল সালাম!
সাম্রাজ্র্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের অনুগত ও আমলা পুঁজির স্বার্থরক্ষক এই রাষ্ট্র ২০০৬ সালের চেয়ে আরো বেশী হিংস্রতা নিয়ে ফুলবাড়িসহ সমগ্র দেশে হামলে পড়ার প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ এর পরিকল্পনা ও পরিচালনাধীন নির্বাচনের মাধ্যমে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে জনগণের ম্যান্ডেট নয় সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের ম্যান্ডেট নিয়ে। সমগ্র অথৃনীতি, রাষ্ট্র ও রাজনীতি এবং শিক্ষা-সংস্কৃতি সর্বব্যাপী এর পরিকল্পনাধীন একের পর এক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সংবিধান সংশোধনের নামে তাদেরই তৈরীকৃত ১৯৭২ সালের একপ্রকার জন্ম পরিচয়হীন সংবিধানকে পঞ্চদশ সংশোধনীর নামে চুড়ান্ত ভাবে অযোগ্য করে তোলা হয়েছে। গত বছর ১২ জানুয়ারী স্বাক্ষরিত হয়েছে হাসিনা-মনমোহন চুক্তি। যার অন্যতম লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী আন্দোলন এবং জাতয়ি মুক্তি সংগ্রাম দমন করা। এ ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তি, ঋণ চুক্ত,ি বাণিজ্য চুক্তি, ছটিমহল বিষয়ক চুক্তি, পানি বন্টন চুক্তি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, বন্দী বিনিময় চুক্তি, ট্রানজিট চুক্তি এ সবই এ পরিকল্পনার অংশ। এসব পরিকল্পনা এগিয়ে নেবার অংশ হিসেবে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর এদেশে আগমন ঘটছে।
ফুলবাড়ির পথ ধরে আরো আরো সামনে এগিয়ে চলি। সংগ্রামের অসংখ্য গণদূর্গ গড়ে তুলি। সংগ্রামের মাধ্যমে একটি প্রকৃত স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সংবিধান ও সরকার কায়েম করি।







