Tag Archives: পেট্রোবাংলা

সাগরের গ্যাস ব্লক বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার পর এবার স্থলভাগের গ্যাসক্ষেত্রগুলোও বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র

গত ১৬ জুন ২০১১ সমুদ্র ব্লকের ১০ ও ১১ নং গ্যাসব্লক রপ্তানির সুযোগ রেখে কনোকো-ফিলিপসের হাতে তুলে দিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন “যা পাব সব আমাদের”। আর বিদেশী কোম্পানীর কাছে তুলে দেয়ার যুক্তি হিসেবে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা দাবি করেছিলেন পেট্রোবাংলা-বাপেক্সের সামর্থ্য নেই। সরকারের এই চুক্তির ফলে যে সাগরের গ্যাস ব্লক দুটির সব গ্যাস বিদেশীদের হাতেই চলে যাবে তা দেশের অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা দেখিয়ে দিয়েছেন মডেল পিএসসি-২০০৮ এর বিভিন্ন ধারার শুভঙ্করের ফাকি দেখিয়ে দিয়ে। এ চুক্তির প্রতিবাদে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি গত ৩ জুলাই হরতাল পালন করে। আর বাপেক্স-পেট্রোবাংলার একের পর এক সাফল্য প্রমাণ করে দিচ্ছে যে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পেলে শুধু স্থলভাগ নয় সমুদ্র বক্ষেও সফলভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কাজ করতে পারে।

Continue reading

লিখেছেন: মেহেদী হাসান  সাপ্তাহিক বুধবার পত্রিকায় প্রকাশিত

সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের গাবী গ্রাম। চারপাশে মিষ্টি পানির বিশাল হাওড়। মাঝখানে গ্রাম। এখানে আবিষ্কৃত হয়েছে ৪-৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ। এই গ্যাসক্ষেত্রের নাম ‘সুনেত্র’। সুনামগঞ্জের সু আর নেত্রকোনার নেত্র নিয়ে ‘সুনেত্র’। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের আবিষ্কৃত গ্যাস ভান্ডারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভান্ডার। কিন্তু বড় ভান্ডার হলেই যে বাংলাদেশের মানুষের সর্বোত্তম ভোগ-ব্যবহারের কাজে লাগবে এমন কথা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাবে না। বরং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার অনেক কারণ আছে। গ্যাসের বড় মজুদের পরিণাম হতে পারে জনগণের ওপর আরো বেশি চাপ। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হাতবদল হয়ে বিদেশী কোম্পানির কাছে গ্যাসক্ষেত্র জিম্মি। ব্লোআউটের মতো ধ্বংসযজ্ঞ। মানুষ, পরিবেশ, অর্থনীতির বিপর্যস্ত অবস্থা। পিএসসি ২০০৮-এর মতো নতুন নতুন রফতানিমুখী পিএসসি তৈরি। অবশেষে বিদেশী কোম্পানির চাপে গ্যাস রফতানির ব্যবস্থা করা। মোটামুটি এই লাইন ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।

Continue reading