সকল কমিটি ও কমিটিভূক্ত প্রাথমিক সদস্য, সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহবান
স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য নতুন সংস্কৃতি নির্মানের লক্ষ্যে এদেশের জনগণের সকল আন্দোলন সংগ্রামে প্রপদ সাধ্যমত সাংস্কৃতিক ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। ’৯০ পরবর্তী সময়ে এদেশের জনগণের গুরুত্বপূর্ণ গণ সংগ্রাম হিসেবে জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন বিকাশ লাভ করেছে। ফুলবাড়িতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি বিরোধী সফল আন্দোলনসহ জাতীয় সম্পদের ওপর জনগণের শতভাগ মালিকানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি দীর্ঘদিনের প্রচার ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় সম্পদের ওপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামনের সময়গুলোতে জাতীয় কমিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালিত হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্টোবরে ঢাকা-সুনেত্র লংমার্চ এবং নভেম্বরে চলো চলো ঢাকা চলো।
প্রপদ সব সময় যে কোন ধরনের জনগণের সংগ্রামের পাশে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনেও ইতিমধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা পালন করে চলেছে। প্রপদ এর ভূমিকাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে আগামী ২৬ অক্টোবর ২০১১ এক সাংস্কৃতিক সমাবেশ এবং ২৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কর্মীসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় কমিটির ঢাকা-সুনেত্র লংমার্চে সাংস্কৃতিক টীম নিয়ে অংশ নিতে চাই।
আমরা মনে করি, এই সাংস্কৃতিক সমাবেশ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের ভূমিকা ও দিশা হাজির হবে। যার মধ্য দিয়ে জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন বেগবান করার সাংস্কৃতিক দায়িত্ব পালনে অংশগ্রহণকারী সংগঠনসমূহ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারবে।
বন্ধুরা,
সাংস্কৃতিক সমাবেশ, কেন্দ্রীয় কর্মী সভা এবং লংমার্চের অংশগ্রহণের জন্য আমাদের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে হবে। কর্মসূচির প্রস্তুতির জন্য সবগুলো এলাকায় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সফর সম্পন্ন করা হবে। কর্মসূচিসমূহকে সফল করতে লিফলেট, পোস্টার ও আনুসাঙ্গিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন হবে আমাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ। প্রায় ৫০ হাজার টাকা।
কর্মসূচি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য অতিদ্রুত সবার নিকট পৌঁছানো হবে। কর্মসূচিসমূহকে সফল করার জন্য সকল কমিটিকে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করার আহবান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যেকের দিক থেকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কর্মসূচিগুলোকে সফল করতে প্রয়োজনীয় মতামত, পরামর্শ ও অর্থ সংগ্রহ করে কেন্দ্রে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহন করার আহবান জানাচ্ছি।
বন্ধুরা,
আপনাদের সবার সক্রিয় উদ্যোগের মধ্য দিয়েই প্রপদ সামনে এগিয়ে যেতে পারে, লক্ষ্য পানে ছুটতে পারে। আপনাদের সক্রিয়তা ছাড়া কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
আসুন সম্মিলিতভাবে নিজেদের সামর্থ্যকে কেন্দ্রীভূত করি। জাতীয় সম্পদের ওপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক সংগ্রাম বেগবান করি।
কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির পক্ষে
(মোঃ আরশাদ আলী)
ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক







