ধেয়ে আসছে তীব্র শীত। শীতার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রপদ। আপনিও শীতার্ত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন।

ধৈয়ে আসছে তীব্র শীত। কাঁপছে সারা দেশ। উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশের মানুষ বরফ শীতল বাতাসের সাথে যুদ্ধ করছে। প্রতি বছর শীতল বাতাসের বরফ- যুদ্ধে চিরশীতল হয়ে যাচ্ছে শত শত মানুষ- যারা সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মৌলিক অধিকারের দাবিদার নাগরিক।

বন্ধুরা,
আমরা আধুনিক মানুষ- হাইডেলবার্গ যুগের নরবানর নই। বিজ্ঞানের প্রসারে উন্নত বিশ্বের ধনবানরা যখন শখের বশে কৃত্রিম শীতের রাজ্যে বসবাস করার বাসনা করছে, শীত প্রধান দেশের মানব সমাজ যখন ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বা তারও নীচে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে, আমাদের দেশের ধনবানরা যখন শীতের আগমনে পিঠা, পায়েস আর শ্বেত শুভ্র শিশিরের গন্ধ পাচ্ছে তখন অধিকার বঞ্চিত, অসহায়, বিত্তহীন-বস্ত্রহীন, দরিদ্র লাখো লাখো মানুষ মাত্র ৪-৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় অবর্ণীয় কষ্ট ভোগ করছে- মারা যাচ্ছে শত শত। আধুনিক মানব সমাজের অংশীদার- এই মানুষের কষ্ট ও মৃত্যু কি আমাদের মানবিক অনুভূতিকে একটুও নাড়া দেবে না? আমাদের আড্ডা আর অবসর থেকে একটু সময় করে একটু স্বেচ্ছাশ্রম, অযত্নে পড়ে থাকা গত বছরের শীতের কাপড়টি, কিছু অর্থই পারে ওদের জীবন বাঁচাতে- হাজার হাজার শিশুর মুখে হাসি ফোঁটাতে- যে হাসির কামনায় একাত্তরে আমরা বইয়ে দিয়েছি রক্তগঙ্গা।
আসুন- একটু দাঁড়াই একটু শুনি ওদের শ্বেত-কথা করতে পারি লাঘব যদি একটু কষ্ট ব্যথ। Continue reading

ধেঁয়ে আসছে শীত। তীব্র শীতে মৃত্যুর সাথে লড়বে বস্ত্রহীন মানুষ। কেউ কি নেই পাশে দাঁড়ানোর?

বছর বছর এদেশের শত শত মানুষ শীতে প্রাণ হারাচ্ছেন। শীত জনগণের জন্য আজও এক জীবন-মরণ সংকট। জানুয়ারি, ২০০৩ এর শৈত্যপ্রবাহে ৭০০-রও বেশি মানুষ প্রাণ হারান, ২০১০এ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই মৃত্য হয় ১৭৬ জনের । এ সবই শীতে জনদুর্ভোগের খন্ডচিত্র। শৈত্যপ্রবাহ ও শীতজনিত রোগে পরোক্ষ মৃত্যু ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অপরিমেয়।

Continue reading

সকল কমিটি ও কমিটিভূক্ত প্রাথমিক সদস্য, সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহবান

সকল কমিটি ও কমিটিভূক্ত প্রাথমিক সদস্য, সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহবান

স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য নতুন সংস্কৃতি নির্মানের লক্ষ্যে এদেশের জনগণের সকল আন্দোলন সংগ্রামে প্রপদ সাধ্যমত সাংস্কৃতিক ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। ’৯০ পরবর্তী সময়ে এদেশের জনগণের গুরুত্বপূর্ণ গণ সংগ্রাম হিসেবে জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন বিকাশ লাভ করেছে। ফুলবাড়িতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি বিরোধী সফল আন্দোলনসহ জাতীয় সম্পদের ওপর জনগণের শতভাগ মালিকানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি দীর্ঘদিনের প্রচার ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় সম্পদের ওপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামনের সময়গুলোতে জাতীয় কমিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালিত হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্টোবরে ঢাকা-সুনেত্র লংমার্চ এবং নভেম্বরে চলো চলো ঢাকা চলো। Continue reading

শিক্ষা দিবসে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যে’র মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

‘ক্লাস করার বাধ্যবাধকতা বাতিল কর’, ‘ সাম্রাজ্যবাদী ইউজিসি কৌশলপত্র বাতিল করে বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা চালু কর’- শ্লোগান নিয়ে আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যে’র আহবানে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি ডাকসু ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রদক্ষিন করে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যে’র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা কাজী মোঃ তৌফিক ইমাম। সমাবেশ থেকে ক্লাস করার বাধ্যবাধকতা, অনুপস্থিতির জন্য জরিমানা ও শাস্তি বাতিল করার দাবি জানানো হয়। সমাবেশে আরও বলা হয় ইউজিসি’র সাম্রাজ্যবাদী কৌশলপত্র এবং অগণতান্ত্রিক প্রক্টরিয়াল ল’ বাতিল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন, পরিবহন ও শিক্ষক সংকট দূর করারও দাবি জানানো হয় সমাবেশে। সমাবেশ পরিচালনা করেন মনিরুল ইসলাম। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যে’র বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা সাদমান সাকিবসহ ঐক্যে’র নেতা ও কর্মীবৃন্দ।

সূত্র: প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সাগরের গ্যাস ব্লক বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার পর এবার স্থলভাগের গ্যাসক্ষেত্রগুলোও বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র

গত ১৬ জুন ২০১১ সমুদ্র ব্লকের ১০ ও ১১ নং গ্যাসব্লক রপ্তানির সুযোগ রেখে কনোকো-ফিলিপসের হাতে তুলে দিয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন “যা পাব সব আমাদের”। আর বিদেশী কোম্পানীর কাছে তুলে দেয়ার যুক্তি হিসেবে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা দাবি করেছিলেন পেট্রোবাংলা-বাপেক্সের সামর্থ্য নেই। সরকারের এই চুক্তির ফলে যে সাগরের গ্যাস ব্লক দুটির সব গ্যাস বিদেশীদের হাতেই চলে যাবে তা দেশের অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা দেখিয়ে দিয়েছেন মডেল পিএসসি-২০০৮ এর বিভিন্ন ধারার শুভঙ্করের ফাকি দেখিয়ে দিয়ে। এ চুক্তির প্রতিবাদে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি গত ৩ জুলাই হরতাল পালন করে। আর বাপেক্স-পেট্রোবাংলার একের পর এক সাফল্য প্রমাণ করে দিচ্ছে যে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পেলে শুধু স্থলভাগ নয় সমুদ্র বক্ষেও সফলভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কাজ করতে পারে।

Continue reading

৬২’র শিক্ষা আন্দোলনের ইতিহাস

স্বৈরশাসক আইয়ুব খান, ক্ষমতা দখলের মাত্র ২ মাস পর ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে। এই কমিশন ১৯৫৯ সালে আগস্ট মাসের মধ্যে একটি শিক্ষা রিপোর্ট প্রণয়ন করে। ২৭ অধ্যায়ে বিভক্ত এই রিপোর্টে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত সাধারণ, পেশামূলক শিক্ষা, শিক্ষক প্রসঙ্গ, শিক্ষার মাধ্যম, পাঠ্যপুস্তক, হরফ সমস্যা, প্রশাসন, অর্থ বরাদ্দ, শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিষয়ে বিস্তারিত সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এতে আইয়ুব শাহীর ধর্মান্ধ, ধনবাদী, রক্ষণশীল, সাম্রাজ্যবাদী শিক্ষাসংকোচন নীতির পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছিল। আইয়ুব সরকার এই রিপোর্টের সুপারিশ গ্রহণ করে এবং তা ১৯৬২ সাল থেকে বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। Continue reading

প্রপদ এর ত্রৈমাসিক পাঠচক্র শুরু হল

সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিপ্লবী সাংস্কৃতিক সংগ্রাম বেগবান করার প্রত্যয় ঘোষনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ইতিহাস-দর্শন-রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজ-রাষ্ট্র ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রপদ এর ত্রৈমাসিক পাঠচক্র। আজ ১৪ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩.৩০ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের ২য় তলায় পাঠচক্রের উদ্ধোধনী বৈঠকের মধ্য দিয়ে এ পাঠচক্র শুরু হল।

ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আরশাদ আলীর সভাপতিত্বে এবং কাজী মোঃ তৌফিক ইমামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন প্রপদ এর প্রতিষ্ঠা সমন্বয়ক এহতেশাম উদ্দিন, সাবেক আহবায়ক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাসুদ খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শারমিন রহমান, সাহিত্য ও শিল্প-কলা বিভাগে শাপলা। আরো বক্তব্য রাখেন- রজিবুল ইসলাম রাতুল, আশিক মাহমুদ, জাবেদ হায়দার, গোলাম সারোয়ার, রায়হান আহমদ, রেখা, দিদার, অজয়, হেলালসহ পাঠচক্রে উপস্থিত সদস্যবৃন্দ। Continue reading

লিখেছেন: মেহেদী হাসান  সাপ্তাহিক বুধবার পত্রিকায় প্রকাশিত

সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের গাবী গ্রাম। চারপাশে মিষ্টি পানির বিশাল হাওড়। মাঝখানে গ্রাম। এখানে আবিষ্কৃত হয়েছে ৪-৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ। এই গ্যাসক্ষেত্রের নাম ‘সুনেত্র’। সুনামগঞ্জের সু আর নেত্রকোনার নেত্র নিয়ে ‘সুনেত্র’। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের আবিষ্কৃত গ্যাস ভান্ডারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভান্ডার। কিন্তু বড় ভান্ডার হলেই যে বাংলাদেশের মানুষের সর্বোত্তম ভোগ-ব্যবহারের কাজে লাগবে এমন কথা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাবে না। বরং এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার অনেক কারণ আছে। গ্যাসের বড় মজুদের পরিণাম হতে পারে জনগণের ওপর আরো বেশি চাপ। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হাতবদল হয়ে বিদেশী কোম্পানির কাছে গ্যাসক্ষেত্র জিম্মি। ব্লোআউটের মতো ধ্বংসযজ্ঞ। মানুষ, পরিবেশ, অর্থনীতির বিপর্যস্ত অবস্থা। পিএসসি ২০০৮-এর মতো নতুন নতুন রফতানিমুখী পিএসসি তৈরি। অবশেষে বিদেশী কোম্পানির চাপে গ্যাস রফতানির ব্যবস্থা করা। মোটামুটি এই লাইন ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে সরকার।

Continue reading

লীনার বন্ধু ও শুভাকাঙ্খিদের উদ্দেশ্যে

মাস দুই আগে তৃতীয়বারের মত লীনার শরীরে ক্যান্সার ফিরে এসেছে। লীনার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে  ২০০৯ সালে। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ায় তার ডান স্তন অপারেশন করা হয়। ক্যামোথেরাপী চলে অনেক দিন। প্রায় সুস্থ হয়ে যখন স্বাভাবিক কাজ কর্মে ফিরেছিল লীনা, ঠিক তখনই আবার ডান পায়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে, নিতে হয় রেডিওথেরাপি। এরপর লিনা ইন্ডিয়া গিয়েছিল চেক-আপের জন্য। ওর রিপোর্টগুলো সব স্বাভাবিক ছিল তখন। কিন্তু এইতো মাস দুয়েক হলো হঠাৎ শরীর খুব খারাপ করল। টেস্টে ধরা পড়ল ক্যান্সার ফিরে এসেছে। লীনার দীর্ঘ দিনের সহকর্মী, বন্ধু সাংবাদিকরা পাশে দাঁড়ালেন। তাৎক্ষণিকভাবে যেটুকু যোগাড় করা গেল তাই নিয়ে লীনা ভারতে গেল। ভারতের অ্যাপোলো ক্যান্সার হাসপাতালে টানা ত্রিশ দিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা নিয়ে সম্প্রতি দেশে এসেছে লীনা। তবে চিকিৎসা শেষ করতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে, নিতে হবে মোট ৯টি হারসেপিটন ও আরও অন্যান্য ক্যামো। একটি হারসেপটিন ক্যামো দিতে খরচ হবে ১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। পুরো চিকিৎসার খরচটি এবারও বেশ ব্যয়বহুল। যা ওর পরিবার ও বন্ধুদের পক্ষে যোগাড় করা খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। Continue reading

ফুলবাড়ি দিবসের চেতনা : প্রকৃত স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সংবিধান ও সরকার কায়েম করার সংগ্রাম গড়ে তুলি।

২৬ আগস্ট জীবন ও জাতীয় সম্পদ রক্ষার লড়াইয়ের অহংকারী দিন। নিপীড়িত জনতার গণকর্তৃত্বের উজ্জ্বলতায় রাঙ্গা এই দিন; সারা দেশের মানুষের সংগ্রামী প্রেরণার এক জীবন্ত উৎস। এ সংগ্রাম সাম্রাজ্যবাদ ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত প্রতিরোধের অনন্য ইতিহাস । এই ইতিহাসের স্রষ্টা ফুলবাড়ির জনগণ; এদেশের জনগণ। এই মহান সংগ্রামের বীর শহীদ এবং মহান জনতাকে জানাই লাল সালাম!

সাম্রাজ্র্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের অনুগত ও আমলা পুঁজির স্বার্থরক্ষক এই রাষ্ট্র ২০০৬ সালের চেয়ে আরো বেশী হিংস্রতা নিয়ে ফুলবাড়িসহ সমগ্র দেশে হামলে পড়ার প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ এর পরিকল্পনা ও পরিচালনাধীন নির্বাচনের মাধ্যমে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে জনগণের ম্যান্ডেট নয় সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের ম্যান্ডেট নিয়ে। সমগ্র অথৃনীতি, রাষ্ট্র ও রাজনীতি এবং শিক্ষা-সংস্কৃতি সর্বব্যাপী এর পরিকল্পনাধীন একের পর এক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সংবিধান সংশোধনের নামে তাদেরই তৈরীকৃত ১৯৭২ সালের একপ্রকার জন্ম পরিচয়হীন সংবিধানকে পঞ্চদশ সংশোধনীর নামে চুড়ান্ত ভাবে অযোগ্য করে তোলা হয়েছে। গত বছর ১২ জানুয়ারী স্বাক্ষরিত হয়েছে হাসিনা-মনমোহন চুক্তি। যার অন্যতম লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী আন্দোলন এবং জাতয়ি মুক্তি সংগ্রাম দমন করা। এ ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তি, ঋণ চুক্ত,ি বাণিজ্য চুক্তি, ছটিমহল বিষয়ক চুক্তি, পানি বন্টন চুক্তি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, বন্দী বিনিময় চুক্তি, ট্রানজিট চুক্তি এ সবই এ পরিকল্পনার অংশ। এসব পরিকল্পনা এগিয়ে নেবার অংশ হিসেবে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর এদেশে আগমন ঘটছে।

ফুলবাড়ির পথ ধরে আরো আরো সামনে এগিয়ে চলি। সংগ্রামের অসংখ্য গণদূর্গ গড়ে তুলি। সংগ্রামের মাধ্যমে একটি প্রকৃত স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, সংবিধান ও সরকার কায়েম করি।